Mirza fakhrul islam alamgir bnp - মির্জা ফখরুল

সরকার গুম-খুনের সংস্কৃতি চালু করেছে : মির্জা ফখরুল

রাজনীতি

দেশের বিশিষ্ট নাগরিক ও পেশাজীবী নেতাদের সম্মানে ইফতার মাহফিল করেছে বিএনপি। আজ সোমবার রাজধানীর লেডিস ক্লাবে এই ইফতার মাহফিল হয়। এতে সাংবাদিক, চিকিৎসক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ইফতারের আগে বিভিন্ন টেবিলে গিয়ে পেশাজীবীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পরে ইফতারপূর্ব এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, আজ চতুর্দিকে সরকার ফের হত্যা-গুম-খুনের সংস্কৃতি চালু করেছে। সাংবাদিকদের লেখালেখিতে সেন্সরশিপ চালু করেছে, তারা প্রকৃত ঘটনা লিখতে পারেন না।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, নওগাঁয় এক নারীকে র‌্যাব তুলে নিয়ে গেছে।‌ তুলে নেওয়ার ৩৬ ঘণ্টা পরে মারা গেছে। তার ডাক্তারি রিপোর্টে এসেছে মস্তিষ্কে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে তার মৃত্যু হয়েছে এবং তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে যে এফআইআর করা হয়নি, সেটা পরে করা হয়েছে। অর্থাৎ আবার র‌্যাবের হাতে সাধারণ একজন মানুষ যিনি চাকরি করেন তার মৃত্যু হলো।

মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকার শুধু নিজেদের ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার জন্য হত্যা, গুম, খুন, মিথ্যে মামলা দিয়ে একটি ভয়ের সংস্কৃতি চালু করেছে, একটি ত্রাসের সংস্কৃতি চালু করেছে। এভাবেই তারা আজকে দেশকে শাসন করতে চায়।

তিনি বলেন, দেশে চরম অশান্তি বিরাজ করছে, মানুষ নিরাপদ বোধ করছে না। আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারগুলো এই ফ্যাসিবাদী সরকার কেড়ে নিয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশের মানুষ ভালোভাবে ইবাদত পর্যন্ত করবে পারছে না, মানুষ নিরাপদ বোধ করছে না। সব জিনিসের দাম বেড়ে গেছে। তিনি সবাইকে এ সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায় আহ্বান জানান।

বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির পরিচালনায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দোয়া পরিচালনা করেন ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা শাহ মোহাম্মদ নেছারুল হক।

পেশাজীবীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, কবি আবদুল হাই শিকদার, রুহুল আমিন গাজী, এমএ আজিজ, সৈয়দ আবদাল আহমদ, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, ডা. সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, ডা. মো. আবদুল কুদ্দুস, কাদের গণি চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ, ডা. মোসাদ্দেক হোসেন বিশ্বাস ডাম্বেল, ডা. মো. আবদুস সালাম, ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, ডা. রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক শহীদুর রহমান, অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম, অধ্যাপক শামসুল আলম, অধ্যাপক এনামুল পারভেজ, অধ্যাপক আব্দুল হালিম, অধ্যাপক আমির হোসেন ভূঁইয়া, ড. বোরহান উদ্দিন, ড. আব্দুর রহমান, সাংবাদিক এম আব্দুল আব্দুল্লাহ, নূরুল আমিন রোকন, ইলিয়াস খান, শাহনাজ পলি, মুরসালিন নুমানী, শহীদুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, ফরিদ আহমেদ, আমিরুল ইসলাম কাগজী, খুরশিদ আলম, সাহাবুদ্দিন চৌধুরী।

বিএনপি নেতাদের মধ্যে বেগম সেলিমা রহমান, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, মো. আবদুস সালাম, অধ্যাপক ড. শাহিদা রফিক, প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু, প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন বকুল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, ডা. পারভেজ রেজা কাকন, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন, প্রকৌশলী একেএম আসাদুজ্জামান চুন্নু, শামসুদ্দিন দিদার ও শায়রুল কবির খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।