পাবনা নির্বাচনী সহিংসতা - Pabna election clash

পাবনায় নির্বাচনি সহিংসতায় আহত ১০

রাজনীতি

পাবনায় চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থীর মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায় হামলা করেছে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ তার অনুসারীরা। বুধবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ নৌকা প্রার্থীর প্রচারণার কাজে শিবপুর যাওয়ার পথে একদন্ত বাজারের উপরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। 

হামলায় ১০জন গুরত্বর আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে চারজনকে পাবনা জেনালে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।

নৌকার বিপক্ষে বিদ্রোহী প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৩৪ নং কার্যকরী সদস্য মো. লিয়াকত হোসেন আলাল সর্দারের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ সময় আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও একদন্ত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মহসিন আলী মোল্লার চাচাত ভাই এএসআই (অব.) রফিকুল ইসলাম ভাষানী, রকিবুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, মো. মাসুম, মিলন, রিপন ডাক্তার গুরুতর আহত হয়েছেন।

একদন্ত ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মহসিন আলী জানান, নৌকা প্রতীক পাবার পর থেকেই একদন্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসমাঈল সর্দারের ছেলে মো. লিয়াকত হোসেন আলাল সর্দার আমার সমর্থকদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রর্দশন করছেন।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি আটঘরিয়া থানার ওসি আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম রতন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. জলিল মাস্টারসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেছি।

আজ সন্ধ্যায় আমি নির্বাচনী প্রচারণায় শিবপুর যাওয়ার পথে একদন্ত বাজারে বিদ্রোহী প্রার্থী আলাল সর্দারের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।

এ সময় আমার চাচাত ভাই এএসআই (অব.) রফিকুল ইসলাম ভাষানীসহ ৬জন গুরুতর আহত হয়েছে এবং সন্ত্রাসীরা ৫টি মোটর সাইকেল ভাংচুর করেছে। আমি উর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার তদন্ত ও সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি।

আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম রতন জানান, আমি আমার নির্বাচনী প্রচারণার কাজে ব্যস্ত থাকাকালীন সময়ে একদন্ত ইউনিয়নে নৌকার সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনাটি শুনেছি। তবে নৌকার বিরুদ্ধে যারাই কাজ করবে এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করবে তাদেরকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।  

বিদ্রোহী প্রার্থী মো. লিয়াকত হোসেন আলাল সর্দার বলেন, নৌকার সমর্থকেরা আমার ক্লাবের সামনে এসে নৌকার শ্লোগান দিচ্ছেলো। এসময় তারা আমার নির্বাচনি অফিস ভাংচুর করা প্রতিহত করতে আমার সমর্থকেরা বাধা দিলে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। তিনি এসময় তার ৩জন সমর্থক আহত হওয়ার অভিযোগ করেন।