polythene - পলিথিন

পলিথিন ব্যাগে দূষণ বাড়ছে

বাংলাদেশ

পলিথিন ব্যাগের দূষণ যেনো বেড়েই চলেছে। যশোরের অভয়নগরে যেনো দ্বিধাহীনভাবেই চলছে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার। সরকারি নির্দেশনার তোয়াক্কা না করেই ধান ও চালের চাতাল, মুদি দোকান, বস্তার দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যাগের ব্যবহার লক্ষণীয়ভাবে বেড়েছে।

এমনকি সীমান্তপথে আসা পলিথিনে ছেয়ে গেছে অভয়নগর উপজেলার বড় ছোট হাট-বাজারগুলো। পরিবেশ রক্ষায় পলিথিন-মুক্ত সমাজ গঠনের দাবি অভয়নগর উপজেলার সচেতন মহলের।

কবি সাদিক আজগর বলেন, দেশের মানুষের মধ্যে পরিবেশ ও সমাজের ভারসাম্য রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টি করতে না পারলে পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার কমানো সম্ভব হবে না।

অভয়নগরের সচেতন নাগরিক মিজানুর রহমান বলেন, চটের ব্যাগে কোনো সারের বস্তা পাওয়া যাচ্ছে না, বিভিন্ন গোডাউন থেকেই পলিথিনের বস্তায় আসছে সার। বস্তার ব্যাগে করেই বিক্রয় করছে সাধারণ সার ও কীটনাশক। অভয়নগর, রাজঘাট , সুন্দলী, শ্রীধরপুর, মাগুরা বাজারে চটের ব্যাগের সঙ্গে পলিথিন ব্যাগ বিক্রির মহোৎসব চলছে।

চেঙ্গুটিয়া বাজারের ব্যবসায়ী শেখ রহমাতুল্লাহ জানান, আগে ব্যবহার করতাম প্লাস্টিকের ব্যাগ এখন চটের ব্যাগ ব্যবহার করছি, পরিবেশ ক্ষতি হোক চান না তিনি, তাই করছেন চটের ব্যাগ ব্যবহার। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্লাস্টিকের ব্যাগ বর্জন করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে গণসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছেন তিনি।

অভয়নগর ইউএনও মো. আমিনুর রহমান জানান, পাটের ব্যাগ ব্যবহার বৃদ্ধি ও পলিথিনের ব্যাগ ব্যবহার বন্ধের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে পলিথিন ব্যাগ ব্যবহারে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

ইউএনও আরও বলেন, চটের ব্যাগ ব্যবহারের জন্য বাড়ানো হচ্ছে গণসচেতনতা। তবে আগের থেকে চটের ব্যাগ ব্যবহার অনেকাংশেই বৃদ্ধি পেয়েছে। এ জন্য সবার সহযোগিতাও প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ যশোরে অনলাইন পত্রিকা ও টিভির সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি